ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদকের সিন্ডিকেটে জিম্মি সমাজ, সত্য লিখলেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ২৩ Time View
Print

স্টাফ রিপোর্টার:

মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করলেই এখন সাংবাদিকদের হতে হচ্ছে নির্যাতনের শিকার। কোথাও সাংবাদিককে মারধর, কোথাও হত্যার হুমকি, আবার সুযোগ পেলেই বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের মতো ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার পেছনে মূল শক্তি হিসেবে কাজ করছে মাদক সিন্ডিকেট ও তাদের আশ্রয়দাতা সন্ত্রাসী বাহিনী।

বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে মাদকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতে গেলেই সাংবাদিকদের ওপর নেমে আসে রাজনৈতিক চাপ। অনেক সময় মাদক ব্যবসায়ী আটক হওয়ার পরপরই বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তি ফোন দিয়ে বলেন— “ও অমুক ভাইয়ের লোক”, “তমুক নেতার ছত্রছায়ায় আছে।” ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” ঘোষণা করলেও বাস্তবে অনেক অসাধু রাজনৈতিক নেতা নিজেদের স্বার্থে মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে মাদক সিন্ডিকেট দিন দিন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে এবং সমাজে ভয়ঙ্কর প্রভাব বিস্তার করছে।

সচেতন মহলের দাবি, রাজনীতির নামে যারা মাদক ও সন্ত্রাসের সাথে জড়িত, তাদের দ্রুত দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করতে হবে। না হলে সমাজ ধ্বংসের এই ভয়াবহ চক্র কখনোই ভাঙা সম্ভব হবে না।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্তি। দুবাইতে প্রায় ২ লক্ষ বাংলাদেশী মানুষ কর্মরত আছে, তাদের ভিসা নবায়ন সংকট নিয়ে প্রবাসীদের আত্মীয়-স্বজন উদ্বিগ্ন,

মাদকের সিন্ডিকেটে জিম্মি সমাজ, সত্য লিখলেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা

Update Time : ০৯:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
Print

স্টাফ রিপোর্টার:

মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করলেই এখন সাংবাদিকদের হতে হচ্ছে নির্যাতনের শিকার। কোথাও সাংবাদিককে মারধর, কোথাও হত্যার হুমকি, আবার সুযোগ পেলেই বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের মতো ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার পেছনে মূল শক্তি হিসেবে কাজ করছে মাদক সিন্ডিকেট ও তাদের আশ্রয়দাতা সন্ত্রাসী বাহিনী।

বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে মাদকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতে গেলেই সাংবাদিকদের ওপর নেমে আসে রাজনৈতিক চাপ। অনেক সময় মাদক ব্যবসায়ী আটক হওয়ার পরপরই বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তি ফোন দিয়ে বলেন— “ও অমুক ভাইয়ের লোক”, “তমুক নেতার ছত্রছায়ায় আছে।” ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” ঘোষণা করলেও বাস্তবে অনেক অসাধু রাজনৈতিক নেতা নিজেদের স্বার্থে মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে মাদক সিন্ডিকেট দিন দিন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে এবং সমাজে ভয়ঙ্কর প্রভাব বিস্তার করছে।

সচেতন মহলের দাবি, রাজনীতির নামে যারা মাদক ও সন্ত্রাসের সাথে জড়িত, তাদের দ্রুত দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করতে হবে। না হলে সমাজ ধ্বংসের এই ভয়াবহ চক্র কখনোই ভাঙা সম্ভব হবে না।