ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেংগু প্রতিরোধে ঝিনাইদহে আনসার সদস্য মফিদুলের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, সচেতনতার আহ্বান,

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ Time View
Print
  1. ডেংগু প্রতিরোধে ঝিনাইদহে আনসার সদস্য মফিদুলের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, সচেতনতার আহ্বান

ডেংগু প্রতিরোধে ঝিনাইদহে আনসার সদস্য মফিদুলের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, সচেতনতার আহ্বান,

শারমিন আরা
ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি:
২৩/৯/২০২৬

ঝিনাইদহ শহরকে ডেংগুমুক্ত রাখতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আনসার এপিসি মো: মফিদুল ইসলাম।

তাঁর এই ধারাবাহিক সামাজিক ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি ও সন্তোষ দেখা গেছে।

শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার বংশবৃদ্ধি রোধে মফিদুল ইসলাম নিয়মিত পথসভা ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রচারণাকালে তিনি সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ডেংগু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

প্রতিটি বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে।” ডাবের খোসা, টায়ার, কিংবা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা তিন দিনের পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন দায়িত্বশীল আনসার সদস্য হিসেবে মফিদুল ইসলামের এমন সামাজিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

তাঁর এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে সাধারণ মানুষও নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এগিয়ে আসছে।
উল্লেখ্য, এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত থাকাকালীন একাধিক মানবিক কাজের মাধ্যমে প্রশংসিত হন এপিসি মফিদুল ইসলাম। সেখানে অবস্থানকালে তিনি এক হারিয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে যাত্রীদের হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান ব্যাগ ও জিনিসপত্র উদ্ধার করে তাদের হাতে তুলে দিয়ে সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।

ঝিনাইদহ শহরের সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আনসার সদস্য মফিদুল ইসলামের এই মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড অন্য অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

 

শারমিন আরা

ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি:

২৩/৯/২০২৬

 

ঝিনাইদহ শহরকে ডেংগুমুক্ত রাখতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আনসার এপিসি মো: মফিদুল ইসলাম।

 

তাঁর এই ধারাবাহিক সামাজিক ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি ও সন্তোষ দেখা গেছে।

 

শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার বংশবৃদ্ধি রোধে মফিদুল ইসলাম নিয়মিত পথসভা ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রচারণাকালে তিনি সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ডেংগু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

 

প্রতিটি বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে।” ডাবের খোসা, টায়ার, কিংবা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা তিন দিনের পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন তিনি।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন দায়িত্বশীল আনসার সদস্য হিসেবে মফিদুল ইসলামের এমন সামাজিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

 

তাঁর এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে সাধারণ মানুষও নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এগিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত থাকাকালীন একাধিক মানবিক কাজের মাধ্যমে প্রশংসিত হন এপিসি মফিদুল ইসলাম। সেখানে অবস্থানকালে তিনি এক হারিয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন।

 

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে যাত্রীদের হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান ব্যাগ ও জিনিসপত্র উদ্ধার করে তাদের হাতে তুলে দিয়ে সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।

 

ঝিনাইদহ শহরের সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আনসার সদস্য মফিদুল ইসলামের এই মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড অন্য অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেংগু প্রতিরোধে ঝিনাইদহে আনসার সদস্য মফিদুলের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, সচেতনতার আহ্বান,

ডেংগু প্রতিরোধে ঝিনাইদহে আনসার সদস্য মফিদুলের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, সচেতনতার আহ্বান,

Update Time : ০৩:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print
  1. ডেংগু প্রতিরোধে ঝিনাইদহে আনসার সদস্য মফিদুলের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, সচেতনতার আহ্বান

ডেংগু প্রতিরোধে ঝিনাইদহে আনসার সদস্য মফিদুলের প্রশংসনীয় উদ্যোগ, সচেতনতার আহ্বান,

শারমিন আরা
ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি:
২৩/৯/২০২৬

ঝিনাইদহ শহরকে ডেংগুমুক্ত রাখতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আনসার এপিসি মো: মফিদুল ইসলাম।

তাঁর এই ধারাবাহিক সামাজিক ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি ও সন্তোষ দেখা গেছে।

শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার বংশবৃদ্ধি রোধে মফিদুল ইসলাম নিয়মিত পথসভা ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রচারণাকালে তিনি সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ডেংগু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

প্রতিটি বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে।” ডাবের খোসা, টায়ার, কিংবা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা তিন দিনের পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন দায়িত্বশীল আনসার সদস্য হিসেবে মফিদুল ইসলামের এমন সামাজিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

তাঁর এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে সাধারণ মানুষও নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এগিয়ে আসছে।
উল্লেখ্য, এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত থাকাকালীন একাধিক মানবিক কাজের মাধ্যমে প্রশংসিত হন এপিসি মফিদুল ইসলাম। সেখানে অবস্থানকালে তিনি এক হারিয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে যাত্রীদের হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান ব্যাগ ও জিনিসপত্র উদ্ধার করে তাদের হাতে তুলে দিয়ে সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।

ঝিনাইদহ শহরের সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আনসার সদস্য মফিদুল ইসলামের এই মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড অন্য অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

 

শারমিন আরা

ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি:

২৩/৯/২০২৬

 

ঝিনাইদহ শহরকে ডেংগুমুক্ত রাখতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আনসার এপিসি মো: মফিদুল ইসলাম।

 

তাঁর এই ধারাবাহিক সামাজিক ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি ও সন্তোষ দেখা গেছে।

 

শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার বংশবৃদ্ধি রোধে মফিদুল ইসলাম নিয়মিত পথসভা ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রচারণাকালে তিনি সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ডেংগু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

 

প্রতিটি বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবার খেয়াল রাখতে হবে।” ডাবের খোসা, টায়ার, কিংবা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা তিন দিনের পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন তিনি।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন দায়িত্বশীল আনসার সদস্য হিসেবে মফিদুল ইসলামের এমন সামাজিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

 

তাঁর এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে সাধারণ মানুষও নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এগিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত থাকাকালীন একাধিক মানবিক কাজের মাধ্যমে প্রশংসিত হন এপিসি মফিদুল ইসলাম। সেখানে অবস্থানকালে তিনি এক হারিয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন।

 

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে যাত্রীদের হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান ব্যাগ ও জিনিসপত্র উদ্ধার করে তাদের হাতে তুলে দিয়ে সততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।

 

ঝিনাইদহ শহরের সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আনসার সদস্য মফিদুল ইসলামের এই মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড অন্য অনেকের জন্যই অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।