ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চন্দ্রগঞ্জে সড়কে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর হুইপ নিজানের শান্ত ও সৌজন্যমূলক আচরণে মুগ্ধ উপস্থিত জনতা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ৪ Time View
Print

মোঃইমরান হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার,লক্ষ্মীপুর।

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সম্মানিত হুইপ এ.বি.এম. আশরাফ উদ্দিন নিজান-এর একটি মানবিক ও সংযত আচরণ চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে উপস্থিত মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজার ক্রস করার সময় একটি আনন্দ পরিবহনের গাড়ি অসাবধানতাবশত তাঁর বহরে ব্যবহৃত গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে গাড়িটির কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হুইপ নিজামকে একটুও উত্তেজিত হতে দেখা যায়নি।

বরং তিনি অত্যন্ত শান্ত ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে মুচকি হেসে ঘটনাটি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেন এবং কোনো ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

উপস্থিত অনেকেই তাঁর এই সংযম, ভদ্রতা ও সৌজন্যমূলক আচরণের প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির এমন ধীরস্থির ও মানবিক আচরণ নেতৃত্বের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

এ ধরনের আচরণ সমাজে পারস্পরিক সম্মান, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়। অনেকেই মন্তব্য করেন, “নেতা হলে এমনই হওয়া উচিত।”

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যক্তিগত পর্যায়ে পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচারে অসামান্য অবদান রেখে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ‘বৃক্ষকন্যা’ মোসাম্মাৎ সাদিয়া আক্তার (ঈশা)

চন্দ্রগঞ্জে সড়কে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর হুইপ নিজানের শান্ত ও সৌজন্যমূলক আচরণে মুগ্ধ উপস্থিত জনতা

Update Time : ১১:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
Print

মোঃইমরান হোসেন,স্টাফ রিপোর্টার,লক্ষ্মীপুর।

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের সম্মানিত হুইপ এ.বি.এম. আশরাফ উদ্দিন নিজান-এর একটি মানবিক ও সংযত আচরণ চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে উপস্থিত মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজার ক্রস করার সময় একটি আনন্দ পরিবহনের গাড়ি অসাবধানতাবশত তাঁর বহরে ব্যবহৃত গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে গাড়িটির কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হুইপ নিজামকে একটুও উত্তেজিত হতে দেখা যায়নি।

বরং তিনি অত্যন্ত শান্ত ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে মুচকি হেসে ঘটনাটি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেন এবং কোনো ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

উপস্থিত অনেকেই তাঁর এই সংযম, ভদ্রতা ও সৌজন্যমূলক আচরণের প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির এমন ধীরস্থির ও মানবিক আচরণ নেতৃত্বের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

এ ধরনের আচরণ সমাজে পারস্পরিক সম্মান, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়। অনেকেই মন্তব্য করেন, “নেতা হলে এমনই হওয়া উচিত।”