ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেলিগ্রাম ভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত সাইবার অপরাধ চক্রের ০৫ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৮, বরিশাল

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৭ Time View
Print

মানজারুল ইসলাম মিলন- ক্রাইম রিপোর্টার শরীয়তপু জেলা। ১। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে হত্যাকারী, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদ, মাদক দ্রব্য উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণ, প্রতারক ও বিভিন্ন সময়ে সংগঠিত চাঞ্চল্যকর এবং আলোচিত অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ২। গত বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় টেলিগ্রাম এ্যাপের অন্ধকার দিক ও সাইবার ব্ল্যাকমেলসহ বিভিন্ন শিরোনামে একটি খবর প্রচারিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায়, সাম্প্রতিক র্যাবের অনুসন্ধানে একটি সুসংগঠিত সাইবার অপরাধ চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়, যারা বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের টার্গেট করে তাদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করে আসছিল। এই চক্রটি মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও অর্থের বিনিময়ে সরবরাহ করে। চক্রটি দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের লক্ষ্য করে তাদের ফেসবুক বা ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি/ভিডিও সংগ্রহ কিংবা শত্রুতাবশত গোপন ছবি/ভিডিও এক্সপোজ করে অর্থের বিনিময়ে সরবরাহ করে থাকে। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল থেকে প্রায় দেড় লক্ষ নগ্ন/স্পর্শকাতর ছবি ও ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেল পাওয়া যায়। উক্ত চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব ফোর্সেস গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। পরবর্তীতে গত ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাতে র্যাব-৮ এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত ১। মেরাজুর রহমান আরমান (২১) @MARCO (ছদ্মনাম), ২। বিল্লাল হোসেন @ অন্তর (২১) @ RDX PROFESSOR (ছদ্মনাম), ৩। রবি আলম মমিন (২১), ৪। আল আমিন ইসলাম @ মাহি (১৯) এবং ৫। মোঃ হাসিব (২৩)’দেরকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাদের নিকট হতে অপরাধ কাজে ব্যবহৃত সর্বমোট ১২ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ৩। আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা, সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা, অপরাধ চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করা এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আশার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে র্যাব আরও দৃঢ়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে!

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়া আলোচিত কুতুপালং বাজারে যানজট নিরসনের লক্ষে উপজেলা প্রশাসন রাস্তার উপরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযান করেন ।

টেলিগ্রাম ভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত সাইবার অপরাধ চক্রের ০৫ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৮, বরিশাল

Update Time : ১০:১২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
Print

মানজারুল ইসলাম মিলন- ক্রাইম রিপোর্টার শরীয়তপু জেলা। ১। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে হত্যাকারী, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, বিপুল পরিমান অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদ, মাদক দ্রব্য উদ্ধার, ছিনতাইকারী, অপহরণ, প্রতারক ও বিভিন্ন সময়ে সংগঠিত চাঞ্চল্যকর এবং আলোচিত অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ২। গত বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় টেলিগ্রাম এ্যাপের অন্ধকার দিক ও সাইবার ব্ল্যাকমেলসহ বিভিন্ন শিরোনামে একটি খবর প্রচারিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায়, সাম্প্রতিক র্যাবের অনুসন্ধানে একটি সুসংগঠিত সাইবার অপরাধ চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়, যারা বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের টার্গেট করে তাদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করে আসছিল। এই চক্রটি মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও অর্থের বিনিময়ে সরবরাহ করে। চক্রটি দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের লক্ষ্য করে তাদের ফেসবুক বা ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি/ভিডিও সংগ্রহ কিংবা শত্রুতাবশত গোপন ছবি/ভিডিও এক্সপোজ করে অর্থের বিনিময়ে সরবরাহ করে থাকে। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল থেকে প্রায় দেড় লক্ষ নগ্ন/স্পর্শকাতর ছবি ও ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেল পাওয়া যায়। উক্ত চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব ফোর্সেস গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। পরবর্তীতে গত ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাতে র্যাব-৮ এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত ১। মেরাজুর রহমান আরমান (২১) @MARCO (ছদ্মনাম), ২। বিল্লাল হোসেন @ অন্তর (২১) @ RDX PROFESSOR (ছদ্মনাম), ৩। রবি আলম মমিন (২১), ৪। আল আমিন ইসলাম @ মাহি (১৯) এবং ৫। মোঃ হাসিব (২৩)’দেরকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়াও তাদের নিকট হতে অপরাধ কাজে ব্যবহৃত সর্বমোট ১২ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ৩। আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা, সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা, অপরাধ চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করা এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আশার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে র্যাব আরও দৃঢ়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে!