ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলা লালমোহন থানাধীন চতলা বাজার হাই স্কুল মাঠে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ২৯ Time View
Print

মোঃ জিয়াউদ্দিন, ভোলা জেলা বিশেষ প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভোলা জেলার লালমোহন থানার চতলা বাজার হাই স্কুল মাঠে বসেছে বিশাল কোরবানির পশুর হাট। হাটকে ঘিরে এলাকার খামারিদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও আনন্দ-উল্লাস। দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন জাতের গরু ও ছাগল নিয়ে হাটে ভিড় জমিয়েছেন খামারিরা।
হাট ঘুরে দেখা যায়, ছোট-বড় নানা আকারের গরু ও ছাগল নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা ও দরদাম। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পুরো হাট এলাকা এখন প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর।
এক গরু বিক্রেতা জানান,
“এবার বাজার বেশ ভালো। ক্রেতাদের উপস্থিতিও বেশি। সারা বছর কষ্ট করে গরু লালন-পালন করেছি, এখন সেই পরিশ্রমের ফল পাওয়ার আশা করছি।”
ছাগল বিক্রেতারাও জানান, এবছর ছাগলের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে মাঝারি আকারের ছাগল কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,
“প্রতিবছরের তুলনায় এবার হাটে মানুষের উপস্থিতি অনেক বেশি। খামারিরাও ন্যায্য দাম পাওয়ার আশায় বেশ খুশি।”
হাটে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছেন। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে হাটে এসে পছন্দের পশু দেখছেন এবং কিনছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এই পশুর হাট শুধু কোরবানির কেনাবেচার জায়গা নয়; এটি এলাকার অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। খামারিরা ন্যায্য মূল্য পেলে গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও প্রাণবন্ত হয়ে

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনেরা বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্তি। দুবাইতে প্রায় ২ লক্ষ বাংলাদেশী মানুষ কর্মরত আছে, তাদের ভিসা নবায়ন সংকট নিয়ে প্রবাসীদের আত্মীয়-স্বজন উদ্বিগ্ন,

ভোলা লালমোহন থানাধীন চতলা বাজার হাই স্কুল মাঠে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

Update Time : ০৮:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
Print

মোঃ জিয়াউদ্দিন, ভোলা জেলা বিশেষ প্রতিনিধি:

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভোলা জেলার লালমোহন থানার চতলা বাজার হাই স্কুল মাঠে বসেছে বিশাল কোরবানির পশুর হাট। হাটকে ঘিরে এলাকার খামারিদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও আনন্দ-উল্লাস। দূর-দূরান্ত থেকে বিভিন্ন জাতের গরু ও ছাগল নিয়ে হাটে ভিড় জমিয়েছেন খামারিরা।
হাট ঘুরে দেখা যায়, ছোট-বড় নানা আকারের গরু ও ছাগল নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা ও দরদাম। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পুরো হাট এলাকা এখন প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর।
এক গরু বিক্রেতা জানান,
“এবার বাজার বেশ ভালো। ক্রেতাদের উপস্থিতিও বেশি। সারা বছর কষ্ট করে গরু লালন-পালন করেছি, এখন সেই পরিশ্রমের ফল পাওয়ার আশা করছি।”
ছাগল বিক্রেতারাও জানান, এবছর ছাগলের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে মাঝারি আকারের ছাগল কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,
“প্রতিবছরের তুলনায় এবার হাটে মানুষের উপস্থিতি অনেক বেশি। খামারিরাও ন্যায্য দাম পাওয়ার আশায় বেশ খুশি।”
হাটে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছেন। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে হাটে এসে পছন্দের পশু দেখছেন এবং কিনছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এই পশুর হাট শুধু কোরবানির কেনাবেচার জায়গা নয়; এটি এলাকার অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। খামারিরা ন্যায্য মূল্য পেলে গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও প্রাণবন্ত হয়ে