ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তাল সাগর ও টানা ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে টানা তিন দিন ধরে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার বেশ কয়েকটি ইয়ার্ড পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কন্টেইনারে থাকা আমদানি পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩০:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ৮২ Time View
Print

এস এম জসিম বিশেষ প্রতিনিধি

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, উত্তাল সাগরের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর ও কুতুবদিয়া গভীর সাগরে অবস্থান করা প্রায় ৫০টি বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এসব জাহাজে সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল, অপরিশোধিত সয়াবিন তেল, অপরিশোধিত চিনি, পাথর, স্ক্র্যাপ, কয়লাসহ প্রায় ২০ লাখ টন পণ্য রয়েছে।

লাইটার জাহাজের সিরিয়াল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেলের (বিডব্লিউটিসিসি) মুখপাত্র পারভেজ আহমেদ বলেন, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত, অতিভারী বৃষ্টি, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে কার্যত পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। চার-পাঁচ দিন অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আমরা লাইটার জাহাজগুলোকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলেছি। কিছু লাইটার কর্ণফুলী নদীর উজানে অবস্থান করছে। যেগুলো নদীতে ঢুকতে পারেনি সেগুলো পতেঙ্গা উপকূলে রয়েছে। এ জাহাজগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি লাইটার জাহাজ দুর্ঘটনার কবলেও পড়েছে।

তিনি জানান, প্রতিদিন বহির্নোঙরে বিডব্লিউটিসিসি সিরিয়ালে ৮০-৯০টি এবং বড় শিল্পগ্রুপের ৩০-৪০টি লাইটার জাহাজ বহির্নোঙরে পণ্যখালাস করে বিভিন্ন গন্তব্যে নিয়ে যায়।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, অতি ভারী বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে পণ্য খালাস বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে যেসব পণ্য ভিজলেও নষ্ট হয় না সেগুলো কিছু কিছু খালাস হচ্ছে।

বন্দর ইয়ার্ডে পানি ওঠা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টি হলে এবং নদীতে জোয়া�

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

চরফ্যাশনে এসএসসি পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রে উত্তেজনা, হামলা-ভাঙচুর; পুলিশের টিয়ারশেল, আহত অন্তত ১২-১৩ জন

উত্তাল সাগর ও টানা ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে টানা তিন দিন ধরে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার বেশ কয়েকটি ইয়ার্ড পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কন্টেইনারে থাকা আমদানি পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

Update Time : ১২:৩০:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
Print

এস এম জসিম বিশেষ প্রতিনিধি

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, উত্তাল সাগরের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর ও কুতুবদিয়া গভীর সাগরে অবস্থান করা প্রায় ৫০টি বড় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এসব জাহাজে সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল, অপরিশোধিত সয়াবিন তেল, অপরিশোধিত চিনি, পাথর, স্ক্র্যাপ, কয়লাসহ প্রায় ২০ লাখ টন পণ্য রয়েছে।

লাইটার জাহাজের সিরিয়াল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেলের (বিডব্লিউটিসিসি) মুখপাত্র পারভেজ আহমেদ বলেন, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত, অতিভারী বৃষ্টি, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে কার্যত পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। চার-পাঁচ দিন অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আমরা লাইটার জাহাজগুলোকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলেছি। কিছু লাইটার কর্ণফুলী নদীর উজানে অবস্থান করছে। যেগুলো নদীতে ঢুকতে পারেনি সেগুলো পতেঙ্গা উপকূলে রয়েছে। এ জাহাজগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি লাইটার জাহাজ দুর্ঘটনার কবলেও পড়েছে।

তিনি জানান, প্রতিদিন বহির্নোঙরে বিডব্লিউটিসিসি সিরিয়ালে ৮০-৯০টি এবং বড় শিল্পগ্রুপের ৩০-৪০টি লাইটার জাহাজ বহির্নোঙরে পণ্যখালাস করে বিভিন্ন গন্তব্যে নিয়ে যায়।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, অতি ভারী বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল থাকায় বহির্নোঙরে পণ্য খালাস বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে যেসব পণ্য ভিজলেও নষ্ট হয় না সেগুলো কিছু কিছু খালাস হচ্ছে।

বন্দর ইয়ার্ডে পানি ওঠা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টি হলে এবং নদীতে জোয়া�