ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একটি চাকরির আশায় ডিইপিজেডে আজও হাজারো মানুষের ঢল।

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ১৭৮ Time View
Print

মোঃ সুমন সরকার স্টাফ রিপোর্টার

দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে সংকট এখনও কাটেনি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেও খাতটিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, একদিকে যেখানে চাকরির প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন কারণে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেকারত্বের হার ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে গাজীপুর ও সাভারসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে কয়েকটি বড় কারখানা বন্ধ হয়ে কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আর্থিক সংকট, ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের ঋণ, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং নীতি সহায়তার ঘাটতির কারণে অনেক কারখানা টিকে থাকার লড়াই করছে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতির গতি সচল রাখতে বন্ধ শিল্প-কারখানাগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি বিদ্যমান শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখার উদ্যোগও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বেকারত্ব শুধু একজন মানুষের নয়, একটি পরিবার ও সমাজের জন্যেও বড় চ্যালেঞ্জ, তাই কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং শিল্পখাতকে স্থিতিশীল রাখতে, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ সময়ের দাবি।
কারখানা বাঁচলে কর্মসংস্থান বাড়বে, কর্মসংস্থান বাড়লে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সরাইলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য গণমিছিল ও সমাবেশ।

একটি চাকরির আশায় ডিইপিজেডে আজও হাজারো মানুষের ঢল।

Update Time : ১২:০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
Print

মোঃ সুমন সরকার স্টাফ রিপোর্টার

দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে সংকট এখনও কাটেনি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেও খাতটিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, একদিকে যেখানে চাকরির প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন কারণে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেকারত্বের হার ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে গাজীপুর ও সাভারসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে কয়েকটি বড় কারখানা বন্ধ হয়ে কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আর্থিক সংকট, ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের ঋণ, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং নীতি সহায়তার ঘাটতির কারণে অনেক কারখানা টিকে থাকার লড়াই করছে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতির গতি সচল রাখতে বন্ধ শিল্প-কারখানাগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি বিদ্যমান শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখার উদ্যোগও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বেকারত্ব শুধু একজন মানুষের নয়, একটি পরিবার ও সমাজের জন্যেও বড় চ্যালেঞ্জ, তাই কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং শিল্পখাতকে স্থিতিশীল রাখতে, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ সময়ের দাবি।
কারখানা বাঁচলে কর্মসংস্থান বাড়বে, কর্মসংস্থান বাড়লে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।