ঢাকা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মপাশায় অবৈধ বালু উত্তোলন: ডিসি-ইউএনওকে জানানোর পরও ব্যবস্থা নেই, অপরাধ স্বীকার করলেন সিন্ডিকেট সদস্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২১ Time View
Print

স্টাফ রিপোর্টার: মনিরুল ইসলাম

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের বিপরীতে নদীতে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ২৯ জুলাই দুপুর থেকে উপজেলা পরিষদের সামনের নদীতে ড্রেজার দিয়ে কয়েক ঘন্টা ধরে দিনের আলোতে বালু উত্তোলন করা হয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকে অবগত করা হয় এবং প্রশাসক কর্তৃক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার পরেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
গণমাধ্যম কর্মীরা বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রেজারটি ৩ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বালু উত্তোলন করতে দেখেছি। প্রশাসনকে জানানোর পরও কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসেননি। কিছুক্ষণ পর ড্রেজারটি স্থান ত্যাগ করে।
এ বিষয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের একজনের সাথে কথা বললে তিনি অপরাধ স্বীকার করে বলেন, সবাই যেভাবে ব্যবসা করতেছে আমরাও ঠিক সেভাবেই কাজ করতেছি। অপরাধ করছি সেটা ঠিক। তবে আমরা বেশিরভাগ বালু সরকারি কাজে লাগিয়ে থাকি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। এতে নদীর নাব্যতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদীভাঙনের ঝুঁকিও বাড়ছে।
সচেতন মহল অবিলম্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুখ্যাত মাদক কারবারী রবিউল হাসান সহযোগীসহ গ্রেফতার, ১ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার।

ধর্মপাশায় অবৈধ বালু উত্তোলন: ডিসি-ইউএনওকে জানানোর পরও ব্যবস্থা নেই, অপরাধ স্বীকার করলেন সিন্ডিকেট সদস্য

Update Time : ১১:৩৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
Print

স্টাফ রিপোর্টার: মনিরুল ইসলাম

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের বিপরীতে নদীতে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। ড্রেজার দিয়ে বালু তোলা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ২৯ জুলাই দুপুর থেকে উপজেলা পরিষদের সামনের নদীতে ড্রেজার দিয়ে কয়েক ঘন্টা ধরে দিনের আলোতে বালু উত্তোলন করা হয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকে অবগত করা হয় এবং প্রশাসক কর্তৃক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার পরেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
গণমাধ্যম কর্মীরা বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রেজারটি ৩ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বালু উত্তোলন করতে দেখেছি। প্রশাসনকে জানানোর পরও কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসেননি। কিছুক্ষণ পর ড্রেজারটি স্থান ত্যাগ করে।
এ বিষয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের একজনের সাথে কথা বললে তিনি অপরাধ স্বীকার করে বলেন, সবাই যেভাবে ব্যবসা করতেছে আমরাও ঠিক সেভাবেই কাজ করতেছি। অপরাধ করছি সেটা ঠিক। তবে আমরা বেশিরভাগ বালু সরকারি কাজে লাগিয়ে থাকি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। এতে নদীর নাব্যতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদীভাঙনের ঝুঁকিও বাড়ছে।
সচেতন মহল অবিলম্বে অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।