ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের প্রতি খোলা চিঠি। কালাছড়া চা বাগান দখলমুক্ত করে পুনরুজ্জীবিত করার দাবি।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ Time View
Print

জাহাঙ্গীর আলম ক্রাইম রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাননীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল মহোদয়, আপনার নির্বাচনী এলাকার বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কালাছড়া চা বাগান নিয়ে এই খোলা চিঠি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত ও বিরোধপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা ঐতিহাসিক এই বিশাল ভূমিকে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দখলমুক্ত করে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সরকারি উপজেলা তথ্য অনুযায়ী, কালাছড়া হরিহর টি এস্টেট বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কালাছড়া গ্রামে অবস্থিত এবং এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একমাত্র চা-বাগান হিসেবে পরিচিত। সরকারি তথ্যে আরও বলা হয়েছে, বিলুপ্তপ্রায় এই চা-বাগানের এলাকায় বর্তমানে মরিচ, লেবু ও ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ হচ্ছে। এক সময়ের কর্মচঞ্চল চা-বাগান স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, কালাছড়া চা বাগানের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। পাকিস্তান আমল থেকে শুরু করে স্বাধীনতার পরও বিভিন্ন সময়ে এখানে চা উৎপাদন হয়েছে। ১৯৮০-এর দশকের পর মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে দখল-বিরোধ এবং নানা জটিলতার কারণে বাগানের কার্যক্রম ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের দাবি। পরবর্তীতে বাগানের বিভিন্ন অংশে চা চাষ কমে যায় এবং একপর্যায়ে বিশাল এলাকাজুড়ে চা গাছের পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের চাষাবাদ ও বসতি গড়ে ওঠে। তবে এসব ঐতিহাসিক ও মালিকানা-সংক্রান্ত তথ্যের অনেকাংশের নির্ভরযোগ্য দলিলপত্র জনসমক্ষে সহজলভ্য নয়। ফলে প্রকৃত মালিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান, দলিল এবং বর্তমান দখল পরিস্থিতি যাচাই করতে সরকারি ভূমি রেকর্ড ও আদালতের নথি পর্যালোচনা প্রয়োজন। মালিকানা বিরোধের জটিলতা স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় বাগানটির মালিকানা নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে বাগানের ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়লে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বাগানের বিভিন্ন অংশে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের আরও দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমির বিভিন্ন অংশে কেউ কৃষিকাজ করছেন, কেউ লিজ দিয়েছেন, আবার কোথাও কোথাও বসতবাড়ি বা স্থাপনা গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি মালিকানা নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ কারণে কালাছড়া চা বাগানের প্রকৃত মালিকানা ও সরকারি/ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি জরিপ অত্যন্ত জরুরি। বিশাল সম্পদ পড়ে আছে অনিশ্চয়তায় স্থানীয়দের দাবি, এত বড় একটি সম্ভাবনাময় এলাকা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পনাহীন অবস্থায় পড়ে থাকা এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় ধরনের ক্ষতি। তাদের অভিযোগ, বাগানের আশপাশের কিছু এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনাও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এমপি মহোদয়ের প্রতি এলাকাবাসীর প্রত্যাশা মাননীয় এমপি মহোদয়, কালাছড়া চা বাগান শুধু একটি পরিত্যক্ত ভূমি নয়; এটি বিজয়নগরের একটি ঐতিহাসিক স্থান। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গেও কালাছড়া চা বাগানের সম্পর্ক রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের তথ্যেও এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। (Bijoynagar) তাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা— প্রথমত, কালাছড়া চা বাগানের জমির প্রকৃত মালিকানা ও বর্তমান দখল পরিস্থিতি নির্ধারণে সরকারি উদ্যোগে পূর্ণাঙ্গ জরিপ করা হোক। দ্বিতীয়ত, আদালতে চলমান মামলাগুলোর আইনগত অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে বৈধ প্রক্রিয়ায় সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির সীমানা নির্ধারণ করা হোক। তৃতীয়ত, অবৈধ দখল বা সরকারি জমি দখলের অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। চতুর্থত, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মাদকসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সবশেষে, আইনগত জটিলতা নিরসনের পর সম্ভাব্যতা যাচাই করে কালাছড়া এলাকায় পুনরায় চা-বাগান, কৃষি প্রকল্প, পর্যটনকেন্দ্র অথবা পরিবেশসম্মত শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা একসময় সবুজে ঘেরা কালাছড়া চা বাগান আজ অনেকটাই তার পুরোনো পরিচয় হারিয়েছে। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা, সরকারি তদারকি এবং আইনগত জটিলতার সমাধান করা গেলে এই এলাকাকে আবারও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হতে পারে। চা-বাগান পুনরুজ্জীবিত করা হলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। আর শিল্প বা কৃষিভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এক সময়ের কর্মচঞ্চল কালাছড়া আজ যেন নতুন দিনের অপেক্ষায়। তাই জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, ভূমি কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগেই এই দীর্ঘদিনের জটিলতার একটি আইনসম্মত ও স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন। মাননীয় এমপি মহোদয়, কালাছড়া চা বাগানকে ঘিরে এলাকাবাসীর এই প্রত্যাশা কি আপনার মাধ্যমে নতুন করে আলোর মুখ দেখতে পারে না? এটি শুধু একটি জমির প্রশ্ন নয়—এটি ইতিহাস, পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং বিজয়নগরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রশ্ন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের প্রতি খোলা চিঠি। কালাছড়া চা বাগান দখলমুক্ত করে পুনরুজ্জীবিত করার দাবি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের প্রতি খোলা চিঠি। কালাছড়া চা বাগান দখলমুক্ত করে পুনরুজ্জীবিত করার দাবি।

Update Time : ০৮:৪১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Print

জাহাঙ্গীর আলম ক্রাইম রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাননীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল মহোদয়, আপনার নির্বাচনী এলাকার বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কালাছড়া চা বাগান নিয়ে এই খোলা চিঠি। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত ও বিরোধপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা ঐতিহাসিক এই বিশাল ভূমিকে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দখলমুক্ত করে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সরকারি উপজেলা তথ্য অনুযায়ী, কালাছড়া হরিহর টি এস্টেট বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কালাছড়া গ্রামে অবস্থিত এবং এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার একমাত্র চা-বাগান হিসেবে পরিচিত। সরকারি তথ্যে আরও বলা হয়েছে, বিলুপ্তপ্রায় এই চা-বাগানের এলাকায় বর্তমানে মরিচ, লেবু ও ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ হচ্ছে। এক সময়ের কর্মচঞ্চল চা-বাগান স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, কালাছড়া চা বাগানের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। পাকিস্তান আমল থেকে শুরু করে স্বাধীনতার পরও বিভিন্ন সময়ে এখানে চা উৎপাদন হয়েছে। ১৯৮০-এর দশকের পর মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে দখল-বিরোধ এবং নানা জটিলতার কারণে বাগানের কার্যক্রম ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে বলে স্থানীয়দের দাবি। পরবর্তীতে বাগানের বিভিন্ন অংশে চা চাষ কমে যায় এবং একপর্যায়ে বিশাল এলাকাজুড়ে চা গাছের পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের চাষাবাদ ও বসতি গড়ে ওঠে। তবে এসব ঐতিহাসিক ও মালিকানা-সংক্রান্ত তথ্যের অনেকাংশের নির্ভরযোগ্য দলিলপত্র জনসমক্ষে সহজলভ্য নয়। ফলে প্রকৃত মালিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান, দলিল এবং বর্তমান দখল পরিস্থিতি যাচাই করতে সরকারি ভূমি রেকর্ড ও আদালতের নথি পর্যালোচনা প্রয়োজন। মালিকানা বিরোধের জটিলতা স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় বাগানটির মালিকানা নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে বাগানের ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়লে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বাগানের বিভিন্ন অংশে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের আরও দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমির বিভিন্ন অংশে কেউ কৃষিকাজ করছেন, কেউ লিজ দিয়েছেন, আবার কোথাও কোথাও বসতবাড়ি বা স্থাপনা গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি মালিকানা নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ কারণে কালাছড়া চা বাগানের প্রকৃত মালিকানা ও সরকারি/ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি জরিপ অত্যন্ত জরুরি। বিশাল সম্পদ পড়ে আছে অনিশ্চয়তায় স্থানীয়দের দাবি, এত বড় একটি সম্ভাবনাময় এলাকা দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পনাহীন অবস্থায় পড়ে থাকা এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় ধরনের ক্ষতি। তাদের অভিযোগ, বাগানের আশপাশের কিছু এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনাও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এমপি মহোদয়ের প্রতি এলাকাবাসীর প্রত্যাশা মাননীয় এমপি মহোদয়, কালাছড়া চা বাগান শুধু একটি পরিত্যক্ত ভূমি নয়; এটি বিজয়নগরের একটি ঐতিহাসিক স্থান। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গেও কালাছড়া চা বাগানের সম্পর্ক রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের তথ্যেও এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। (Bijoynagar) তাই এলাকাবাসীর প্রত্যাশা— প্রথমত, কালাছড়া চা বাগানের জমির প্রকৃত মালিকানা ও বর্তমান দখল পরিস্থিতি নির্ধারণে সরকারি উদ্যোগে পূর্ণাঙ্গ জরিপ করা হোক। দ্বিতীয়ত, আদালতে চলমান মামলাগুলোর আইনগত অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে বৈধ প্রক্রিয়ায় সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির সীমানা নির্ধারণ করা হোক। তৃতীয়ত, অবৈধ দখল বা সরকারি জমি দখলের অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। চতুর্থত, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মাদকসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। সবশেষে, আইনগত জটিলতা নিরসনের পর সম্ভাব্যতা যাচাই করে কালাছড়া এলাকায় পুনরায় চা-বাগান, কৃষি প্রকল্প, পর্যটনকেন্দ্র অথবা পরিবেশসম্মত শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা একসময় সবুজে ঘেরা কালাছড়া চা বাগান আজ অনেকটাই তার পুরোনো পরিচয় হারিয়েছে। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা, সরকারি তদারকি এবং আইনগত জটিলতার সমাধান করা গেলে এই এলাকাকে আবারও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হতে পারে। চা-বাগান পুনরুজ্জীবিত করা হলে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। আর শিল্প বা কৃষিভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এক সময়ের কর্মচঞ্চল কালাছড়া আজ যেন নতুন দিনের অপেক্ষায়। তাই জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, ভূমি কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগেই এই দীর্ঘদিনের জটিলতার একটি আইনসম্মত ও স্থায়ী সমাধান হওয়া প্রয়োজন। মাননীয় এমপি মহোদয়, কালাছড়া চা বাগানকে ঘিরে এলাকাবাসীর এই প্রত্যাশা কি আপনার মাধ্যমে নতুন করে আলোর মুখ দেখতে পারে না? এটি শুধু একটি জমির প্রশ্ন নয়—এটি ইতিহাস, পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং বিজয়নগরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রশ্ন।