ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোস্তাফিজুরের অভিযোগ আপস মীমাংসার কথা বলে আমাকে নওগাঁ ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ২৭ Time View
Print

মোঃ রাজন ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার :

আবাসন ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত সৈয়দ আমিন মাহমুদ ও নিলুফা আক্তার কুমকুম দম্পতির কর্মকাণ্ড। নওগাঁ থেকে রাজশাহী—একের পর এক আবাসন প্রকল্প, প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন এবং একই কৌশলে সাধারণ মানুষের জমি ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে এই চক্র। ভুক্তভোগীদের দাবি, ফ্ল্যাট ও বাণিজ্যিক স্পেস বুঝিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা ও মূল্যবান জমি গ্রহণ করলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা যায়,মুস্তাফিজুর রহমানের নওগাঁর একটি প্রকল্প অসমাপ্ত রেখেই রাজশাহীর কাজলা এলাকায় নতুন নামে আবাসন প্রকল্প চালু করেন এই প্রতারক নিলুফা আক্তার কুমকুম।
পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাদের প্রতারণার কর্মকাণ্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে নিজেদের আড়াল করতে প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে আবারও একই কৌশলে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগও ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।

এরই ধারাবাহিকতায় ভুক্তভোগী মোস্তাফিজুর রহমানের অভিযোগ, গত ১০ জুন ২০২৬শে আপস-মীমাংসার কথা বলে তাকে নওগাঁ ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক ভাবে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।এ সময় তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান বলে দাবি করেন। মুস্তাফিজুর রহমানের অভিযোগ, তার পরিবারকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে এই দম্পত্তি ও তার সহপাঠীরা উঠে পড়ে লেগেছে।

পরে নিরুপায় হয়ে এ ঘটনায় মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে নওগাঁর বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সৈয়দ আমিন উদ্দিন মাহমুদ, নিলুফা আক্তার কুমকুম, রাব্বুল ইসলাম রনি, দেলোয়ার হোসেন এবং গোলাম মঞ্জুর তৌফিককে আসামি করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তারা পরস্পরের যোগসাজশে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রতারণা এবং জোরপূর্বক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে বাদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছেন।

তবে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকবিরোধী অভিযানে যশোরে ৬০০ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ৭০ বোতল রেক্টিফাইড স্পিরিটসহ গ্রেপ্তার ২

মোস্তাফিজুরের অভিযোগ আপস মীমাংসার কথা বলে আমাকে নওগাঁ ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন

Update Time : ১০:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
Print

মোঃ রাজন ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার :

আবাসন ব্যবসার আড়ালে প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত সৈয়দ আমিন মাহমুদ ও নিলুফা আক্তার কুমকুম দম্পতির কর্মকাণ্ড। নওগাঁ থেকে রাজশাহী—একের পর এক আবাসন প্রকল্প, প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন এবং একই কৌশলে সাধারণ মানুষের জমি ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে এই চক্র। ভুক্তভোগীদের দাবি, ফ্ল্যাট ও বাণিজ্যিক স্পেস বুঝিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা ও মূল্যবান জমি গ্রহণ করলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা যায়,মুস্তাফিজুর রহমানের নওগাঁর একটি প্রকল্প অসমাপ্ত রেখেই রাজশাহীর কাজলা এলাকায় নতুন নামে আবাসন প্রকল্প চালু করেন এই প্রতারক নিলুফা আক্তার কুমকুম।
পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাদের প্রতারণার কর্মকাণ্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে নিজেদের আড়াল করতে প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে আবারও একই কৌশলে কার্যক্রম চালানোর অভিযোগও ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।

এরই ধারাবাহিকতায় ভুক্তভোগী মোস্তাফিজুর রহমানের অভিযোগ, গত ১০ জুন ২০২৬শে আপস-মীমাংসার কথা বলে তাকে নওগাঁ ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক ভাবে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।এ সময় তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান বলে দাবি করেন। মুস্তাফিজুর রহমানের অভিযোগ, তার পরিবারকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে এই দম্পত্তি ও তার সহপাঠীরা উঠে পড়ে লেগেছে।

পরে নিরুপায় হয়ে এ ঘটনায় মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে নওগাঁর বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সৈয়দ আমিন উদ্দিন মাহমুদ, নিলুফা আক্তার কুমকুম, রাব্বুল ইসলাম রনি, দেলোয়ার হোসেন এবং গোলাম মঞ্জুর তৌফিককে আসামি করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তারা পরস্পরের যোগসাজশে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রতারণা এবং জোরপূর্বক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে বাদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছেন।

তবে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।