ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী তিন মাস বনজীবী ও পর্যটকদের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ২০ Time View
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

আগামী তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বনজ সম্পদ, মৎস্য ও জলজ প্রাণীর নিরাপদ প্রজনন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্য প্রাণীর সুরক্ষার লক্ষ্যে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ, মধু সংগ্রহ এবং পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

এ সিদ্ধান্তে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সুন্দরবন নির্ভর হাজারো জেলে, মৌয়াল ও বনজীবীরা।
তাদের দাবি, তিন মাস বন বন্ধ থাকায় আয়-রোজগারের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে। অনেককে ঋণ করে সংসার চালাতে হয় এবং মহাজনসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ধার-দেনায় জড়িয়ে পড়তে হয়। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারি সহায়তা না পাওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েন।
এ কারণে খাদ্য সহায়তা ও বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন কর্মহীন বনজীবীরা।
বন বিভাগ জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্ট সময়টি সুন্দরবনের মাছ, জলজ প্রাণী ও বিভিন্ন বন্য প্রাণীর প্রধান প্রজনন মৌসুম। এ সময় অধিকাংশ মাছ ও জলজ প্রাণী ডিম ছাড়ে। একই সঙ্গে বনের উদ্ভিদরাজির স্বাভাবিক পুনর্জন্ম প্রক্রিয়াও চলতে থাকে। যেহেতু উদ্ভিদরাজির রক্ষার্তে সরকারি নির্দেশ মেনে সকলে চলবে এবং পরবর্তীতে আবার সাভাবিক হলে সকল বনজীবিরা সুন্দরে সাভাবিক ভাবে প্রবেশ করতে পারবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে বিআরটিএ’র ভিজিল্যান্স কার্যক্রম জোরদার, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে তৎপরতা

আগামী তিন মাস বনজীবী ও পর্যটকদের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

Update Time : ১০:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
Print

আজহারুল ইসলাম সাদী, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

আগামী তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বনজ সম্পদ, মৎস্য ও জলজ প্রাণীর নিরাপদ প্রজনন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্য প্রাণীর সুরক্ষার লক্ষ্যে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ, মধু সংগ্রহ এবং পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

এ সিদ্ধান্তে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সুন্দরবন নির্ভর হাজারো জেলে, মৌয়াল ও বনজীবীরা।
তাদের দাবি, তিন মাস বন বন্ধ থাকায় আয়-রোজগারের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে। অনেককে ঋণ করে সংসার চালাতে হয় এবং মহাজনসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ধার-দেনায় জড়িয়ে পড়তে হয়। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারি সহায়তা না পাওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েন।
এ কারণে খাদ্য সহায়তা ও বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন কর্মহীন বনজীবীরা।
বন বিভাগ জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্ট সময়টি সুন্দরবনের মাছ, জলজ প্রাণী ও বিভিন্ন বন্য প্রাণীর প্রধান প্রজনন মৌসুম। এ সময় অধিকাংশ মাছ ও জলজ প্রাণী ডিম ছাড়ে। একই সঙ্গে বনের উদ্ভিদরাজির স্বাভাবিক পুনর্জন্ম প্রক্রিয়াও চলতে থাকে। যেহেতু উদ্ভিদরাজির রক্ষার্তে সরকারি নির্দেশ মেনে সকলে চলবে এবং পরবর্তীতে আবার সাভাবিক হলে সকল বনজীবিরা সুন্দরে সাভাবিক ভাবে প্রবেশ করতে পারবে।