
নিজস্ব প্রতিবেদক
মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট
দেশবাসী জানেন- হিউম্যান এইড এন্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। গঠনতন্ত্রে সংস্থাটির নিক নেইম হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল।
কতিপয় স্বার্থন্বেসী সহযোদ্ধাদের লোভ ও ষড়যন্ত্রের কারণে সংস্থাটির মহাসচিব পদটি বারবার বিতর্কের মুখে পড়েছে কিন্তু আমি কখনো কাউকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করিনি। কারণ- ওদেরকে আমিই শিখিয়েছিলাম; মানবাধিকার কী এবং কেনো এই কাজ করতে হবে!
আমার ক্যারিয়ার ২০ বছরের। কিন্তু হিউম্যান এইড এর অফিসিয়াল যাত্রা ২০১৮ সাল জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগ এনএসআই এর ছাড়পত্র ও জয়েন্ট স্টক রেজিষ্ট্রেশন ( S-12847) এর মাধ্যমে। সাবমিশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে ২০১৬ থেকে। ২০১৪ সালে সংস্থার নামটি কিনে রেখেছিলাম জয়েন্ট স্টক থেকে ।
অবশেষে Human Aid And Trust International এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এর অবস্থান পরিস্কার করতে সহকারি মহাসচিব এডভোকেট নাসির উদ্দিন জজকোর্ট পেরিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের মাধ্যমে প্রমান করেছে-
সংস্থার সূচনা লগ্ন থেকে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এসেছে সেহলী পারভীন। মহামান্য সুপ্রিমকোর্ট এর মাধ্যমে প্রমাণিত হলো সত্যের কল বাতাসে নড়ে। যারা আমার স্বাক্ষর নকল করে আমাকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ দেখিয়ে নতুন করে নিজেদের মহাসচিব দাবি করেছেন- তারা নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করেছেন। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি’র তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত রিপোর্টের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো আমিই প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং আমি কখনো কোনো পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করিনি। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং করছি।
আরও চমকপ্রদ তথ্য ও খবর আসছে…
Reporter Name 


















