ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেহলী পারভীন-ই হিউম্যান এইডের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব — মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৩২ Time View

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

Print

 

সাঈদা সুলতানা, নিজস্ব প্রতিবেদক:– মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল-এর (নিকনেম: হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল) প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “সত্যের জয় হয়েছে।”

সেহলী পারভীন বলেন, “দেশবাসী জানেন, হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে আমি ৯ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছি। গঠনতন্ত্রে সংস্থাটির নিকনেম ‘হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল’।”

তিনি আরও বলেন, “কতিপয় স্বার্থান্বেষী সহযোদ্ধার লোভ ও ষড়যন্ত্রের কারণে সংস্থাটির মহাসচিব পদটি বারবার বিতর্কের মুখে পড়েছে। কিন্তু আমি কখনো কাউকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করিনি। কারণ, ওদের আমিই শিখিয়েছিলাম মানবাধিকার কী এবং কেন এই কাজ করতে হবে!”

২০ বছরের অভিজ্ঞতা ও আইনি স্বীকৃতি:

সেহলী পারভীন জানান, মানবাধিকার সেক্টরে তাঁর কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ২০ বছরের। তবে হিউম্যান এইডের অফিসিয়াল যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর ছাড়পত্র এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসের রেজিস্ট্রেশন (S-12847)-এর মাধ্যমে। সাবমিশন কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং ২০১৪ সালে সংস্থার নামটি জয়েন্ট স্টক থেকে কিনে রেখেছিলেন সেহলী পারভীন।

সহকারী মহাসচিব অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিনের দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, সংস্থার সূচনালগ্ন থেকেই সেহলী পারভীন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

স্বাক্ষর জালিয়াতি ও সিআইডি প্রতিবেদন:
সেহলী পারভীন বলেন, “যারা আমার স্বাক্ষর নকল করে আমাকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন বলে দেখিয়ে নিজেদের নতুন মহাসচিব দাবি করেছেন, তারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করেছেন। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, আমিই প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং আমি কখনো কোনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিনি। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং এখনও করছি।”

তিনি আরও জানান, “আরও চমকপ্রদ তথ্য ও খবর আসছে…”

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে অনেকে ‘সত্যের কল বাতাসে নড়ে’ বলে অভিহিত করেছেন। সেহলী পারভীনের সমর্থক ও সারাদেশের কর্মীরা এই রায়কে সংস্থাটির স্বচ্ছতা ও আইনি বৈধতার একটি বড় জয় হিসেবে দেখছেন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা আফজাল রহমান, ৩০০ পরিবার পেল ত্রাণ

সেহলী পারভীন-ই হিউম্যান এইডের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব — মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট

Update Time : ০৯:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
Print

 

সাঈদা সুলতানা, নিজস্ব প্রতিবেদক:– মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল-এর (নিকনেম: হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল) প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “সত্যের জয় হয়েছে।”

সেহলী পারভীন বলেন, “দেশবাসী জানেন, হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে আমি ৯ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছি। গঠনতন্ত্রে সংস্থাটির নিকনেম ‘হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল’।”

তিনি আরও বলেন, “কতিপয় স্বার্থান্বেষী সহযোদ্ধার লোভ ও ষড়যন্ত্রের কারণে সংস্থাটির মহাসচিব পদটি বারবার বিতর্কের মুখে পড়েছে। কিন্তু আমি কখনো কাউকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করিনি। কারণ, ওদের আমিই শিখিয়েছিলাম মানবাধিকার কী এবং কেন এই কাজ করতে হবে!”

২০ বছরের অভিজ্ঞতা ও আইনি স্বীকৃতি:

সেহলী পারভীন জানান, মানবাধিকার সেক্টরে তাঁর কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ২০ বছরের। তবে হিউম্যান এইডের অফিসিয়াল যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর ছাড়পত্র এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসের রেজিস্ট্রেশন (S-12847)-এর মাধ্যমে। সাবমিশন কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং ২০১৪ সালে সংস্থার নামটি জয়েন্ট স্টক থেকে কিনে রেখেছিলেন সেহলী পারভীন।

সহকারী মহাসচিব অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিনের দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, সংস্থার সূচনালগ্ন থেকেই সেহলী পারভীন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

স্বাক্ষর জালিয়াতি ও সিআইডি প্রতিবেদন:
সেহলী পারভীন বলেন, “যারা আমার স্বাক্ষর নকল করে আমাকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন বলে দেখিয়ে নিজেদের নতুন মহাসচিব দাবি করেছেন, তারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করেছেন। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, আমিই প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং আমি কখনো কোনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিনি। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং এখনও করছি।”

তিনি আরও জানান, “আরও চমকপ্রদ তথ্য ও খবর আসছে…”

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে অনেকে ‘সত্যের কল বাতাসে নড়ে’ বলে অভিহিত করেছেন। সেহলী পারভীনের সমর্থক ও সারাদেশের কর্মীরা এই রায়কে সংস্থাটির স্বচ্ছতা ও আইনি বৈধতার একটি বড় জয় হিসেবে দেখছেন।